দক্ষিণ দুয়ার, ধারাবাহিক কাহিনী

পর্ব ২৩: নৈহর ছুটো হি যায়

এর আগে: বেনের সঙ্গে মেলামেশা আর আশাবরীর জীবনযাপন নিয়ে রাজীব আর আশাবরীর মধ্যে চূড়ান্ত মনোমালিন্য হয়। রাজীব আশাবরীকে অপমান করে।
NSC Bose International Airport, Kolkata.

আশাবরী এয়ারপোর্টে দাঁড়িয়ে আছে নীহারিকার জন্যে। সাড়ে দশটা বাজে।কলকাতার জন্য বেশ রাত,নগরীর লাস্য এখন অবগুন্ঠিত। হাল্কা ঠান্ডা বাতাসের একটা ঝাপটা এসে গায়ে লাগলো।ওর ফিরে আসা নিয়ে এখনও মা-বাবাকে কিছু জানায়নি আশাবরী। নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে এয়ারপোর্টে আসার পথেও ভেবেছিলো জানাবে,কিন্তু পারেনি। কাল সকালে ফোন করবে।পেছন থেকে একটা পরিচিত গলার উচ্ছাস শুনতে পেলো।

-“আশু!!ওহ্ গড!কত্তদিন পর!” বলেই নীহারিকা জড়িয়ে ধরলো।আশাবরী ঘুরে বললো

-“তুই আর পাল্টালিনা!”

নীহারিকা স্বভাবসুলভ চোখ টিপলো।

-“চল্,যাওয়া যাক!” বলে নীহারিকা নিজেই আশাবরীর লাগেজগুলো গাড়িতে তুলতে শুরু করলো।আশাবরী বাধা দিলোনা কারণ বাধা দেয়া বৃথা। আর তাছাড়া লাগেজ তেমন কিছুই নয়,এই অল্প সময়ের মধ্যে বেশি কিছু প্যাক করার সুযোগ হয়নি। নীহারিকা ড্রাইভ করতে করতে টুকটাক কথা বলছিলো। বাইপাসে হুহু করে গাড়ি ছুটছে,সব কথা শোনাও যাচ্ছেনা ভালোভাবে।আশাবরী চুপ করেই বসে রইলো।

নীহারিকা বাড়ির লিফ্টে ঢুকেই আশাবরীকে জিজ্ঞেস করলো

-“আশি! তুই কি সত্যিই আর ফিরবি না?” আশাবরী উত্তর দিলোনা,শুধু চোখ তুলে নীহারিকার দিকে তাকালো। নীহারিকা আর কথা বাড়ালোনা।ফ্ল্যাটে ঢুকে আশাবরী নীহারিকাকে বললো

-“আমি একটু হট শাওয়ার নেব।তারপর শুয়ে পড়বো,তুইও শুয়ে পড়।”
“সেকি! কিছু খাবিনা?” নীহারিকা একটু অবাক।
-“না,রে।বড্ড ক্লান্ত লাগছে।ক্ষিদেও নেই।তুই চাপ নিস না। কাল কথা বলছি”

কাল সকালে প্রথমে বাবা-মাকে কল করতে হবে। কি বলবে,কিভাবে বলবে সেসব ভাবতে ভাবতে শাওয়ার নিচ্ছিলো আশাবরী। কলকাতায় আর কি কি কাজ করার আছে সেটাও ঠিক করে নেওয়া দরকার। স্নান করতে করতে আশাবরী নিজের দিকে একবার দেখলো,মনে হলো নিজেকে অনেকদিন দেখেনি।দেখার ইচ্ছেও কি আছে?

ভোরবেলা ঘুম ভেঙে গেলো। প্রবল ক্ষিদে পাচ্ছে সাথে কফির তেষ্টা। ঘর থেকে বেরোতেই দেখলো নীহারিকা ম‍্যাট পেতে যোগাসনে ব্যস্ত। আশাবরীর আওয়াজ পেয়ে চোখ খুললো।

-“গুডমর্নিং আশি!ঘুম হয়েছিলো ভাল? তোর ব্রেকফাস্ট কিন্তু রেডি”
আশাবরী দেখলো সত্যিই টেবিলে কফি আর ব্রেকফাস্ট তৈরি। নীহারিকা ওর মেড-কে গ্রীন-টি দিতে বলে টেবিলে এসে বসলো।

-“আশি, তুইও গ্রীন-টি খাওয়া শুরু কর। দুর্দান্ত ডিটক্স”

-“ওসব ন্যাকা ন্যাকা অভ্যেস আমার দেহ রিজেক্ট করে দেবে রে”

আশাবরী মুখ বেঁকালো।তারপর দুজন মিলেই হেসে উঠলো।ওদের হাসির আওয়াজে মিশাও উঠে পড়েছে।আশাবরীকে দেখেই ওর কোলে ঝাঁপিয়ে পড়লো মিশা।আশাবরী মিশার হাতে চুমু দিয়ে বললো
-“আমাকে মনে আছে তোর”?
মিশা ঘাড় নাড়লো, মনে আছে।জড়িয়ে জড়িয়ে বললো,

-“তুমি কেমন আছ?”

আশাবরী অবাক চোখে নীহারিকার দিকে তাকালো। নীহারিকা বললো

-“মিশার ডক্টর পাল্টেছি।তোকে বলা হয়নি। আগের চেয়ে ইমপ্রুভ করেছে আর একটা নতুন স্পিচ থেরাপি ক্লাসেও জয়েন করিয়েছি।”
আশাবরী মিশাকে অনেকক্ষণ জড়িয়ে রাখলো। মিশাও কি বুঝে আশাবরীকে জড়িয়ে ধরতে চেষ্টা করছে।
মিশা চলে গেলে পর আশাবরী বাবা-মা ফোন করতে বসলো।

প্রথমে ওর গলা শুনে বাবা মা দুজনেই খুশি। মা বারবার জিজ্ঞেস করলেন রাজীব কেমন আছে,এলোনা কেন ইত্যাদি।আশাবরী নিজেকে ভীষণ শক্ত রাখতে চেষ্টা করছে।তারপর ঠান্ডা মাথায় বললো,

-“আমি আর রাজীবের কাছে ফিরছি না”।মুহূর্তে ফোনের ওপার নিস্তব্ধ হয়ে গেলো। তারপর মা হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠলো,

-“এর মানে কি!এর মানে কি ?!”
আশাবরীর বাবা সমস্তটা শুনে তারপর বললেন,

-“সিদ্ধান্ত নেবার আগে যখন আমাদের কথা ভাবনি,তখন এটা জানানোরও তো কোনো প্রয়োজন দেখছিনা। আমরা তোমার সিদ্ধান্তের সাথে কোনোভাবে জড়াতে চাইনা।”
আশাবরী ফোনটা কানে দিয়ে বসে রইলো মিনিটখানেক।গলার কাছে একটা কান্না দলা পাকাচ্ছে। আশাবরী কাঁদবে না-

“ক্লান্ত চোখ ও ক্লান্ত চোখের পাতা
তাহার চেয়েও ক্লান্ত আমার পা।
মাঝ উঠোনে সাধের আসন পাতা,একটু বসি?! জবাব আসে ‘না’।”

কলকাতায় কিছুদিন থাকার পর আশাবরী বুঝতে পারলো যে এই এক দেড় বছরেই শহর আর তার চেনা লোকজন অনেকটাই পাল্টে গেছে। আপাতভাবে প্রকাশ না পেলেও আশাবরীকে সাহায্য করার মনোভাব এক নীহারিকা ছাড়া কারোর মধ্যেই দেখতে পেলো না। সবার মধ্যে একটু মিষ্টি হেসে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করলো,এমনকি মিঃ মিত্র পর্যন্ত।
সুতরাং এই শহরে নতুন করে জীবন শুরু করার কোনো মানে হয়না। সিদ্ধান্ত নিলো চেন্নাইয়ে মাসির কাছে ফিরবে। মাসি-মেসোকে সমস্ত ঘটনাই জানিয়েছিলো, ওরা সব শোনার পর একবার আশাবরীর বাবা-মা কে যোগাযোগ করে কিন্তু তাতে বিশেষ কাজ হয়নি।তাঁরা আশাবরীকে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যেতেই নির্দেশ দিয়েছেন।অদ্ভুত ব‍্যাপার ,এর মধ্যে একবারও রাজীব যোগাযোগ করেনি! আশাবরীর রেখে আসা লম্বা চিঠিটা কি রাজীব পড়েনি!? চিঠিটা পড়ে একবারও কথা বলার প্রয়োজন মনে হলো না এ কয়েকদিনে!?মানুষ কিভাবে এতটা পাল্টে যায়!

Indiranagar, Chennai

আজ এক সপ্তাহ হলো আশাবরী চেন্নাইতে এসেছে।আর মাসিমনির অকৃত্রিম ভালোবাসা সেই ছোটবেলার মতোই আশাবরীকে ঘিরে রেখেছে।

-“এই বয়সেই তোর মাথায় এত পাকা চুল কিভাবে হয় কে জানে”!?
মাসিমনি আশাবরীর মাথায় অয়েল মাসাজ করতে করতে বললো।
আশাবরী বারান্দার মেঝেতে থেবড়ে বসেছে, পরনে নীল সাদা পোল্কা ডটের শর্টস আর ধূসর রঙের স্প‍্যাগেটি ভেস্ট। মাসিমনি ওর পিছনে চেয়ারে বসে মাথায় তেল মালিশ করছে। নারকেল গাছের ফাঁক দিয়ে রোদ এসে পড়েছে বারান্দায়। আজ প্রায় এক যুগ পর মাসিমনির হাতের ছোঁয়ায়, আদরে আর আরামে ওর চোখ বুজে আসছিলো। কতদিন ভালো করে ঘুমায়নি। ঢুলুঢুলু ভাবে আশাবরী উত্তর দিলো
-“কি করবো বলো এ যুগে যা পলিউশন আর জীবনের চাপ। চুল তো পাকবেই।”
-“হ্যাঁ,তার সঙ্গে ছাইপাশগুলি খাও আর কোটি কোটি বিড়ি ফোঁকো! একদিন দেখবি টাক পড়ে গেছে!” মাসি আদরের বকুনি দেয়।
– “তখন ন্যাড়া হয়ে, সন্ন্যাসিনী হয়ে যাবো। কি সেক্সি লাগবে বলো তো!” আশাবরী ফুট কাটলো।
– “সে আর বলতে” মাসিমনি একটু হেসে ওঠলো
– “দুই বোনে যা করেছিলি”!
আশাবরী জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে ফিরে তাকালো মাসির দিকে।
– “মনে নেই!?” মাসি চোখ গোলগোল করে বলে চলেছে -“ভিলাইয়ে থাকতে কোথা থেকে জানি দুইবোন মাথাভর্তি উকুন নিয়ে বাড়ি এলি। স্কুলের কারোর থেকেই বোধহয়। সারারাত ছটফটানি দুজনের। সুজাতাও কি করবে ভেবে পাচ্ছেনা। আমি দেখলাম একটাই উপায়। নাপিত ডেকে, দিলাম দুটোরই মাথা কামিয়ে। তোর মা-বাবা তো হা৺-হা৺ করে উঠলো। তার মধ্যে রঞ্জনীটার তো সাজুগুজুর শখ। চুল নেই দেখে সে কি কান্না! সঙ্গে তোর মা ও যোগ দিলো। কিন্তু টানা এক সপ্তাহ ওষুধ লাগাতেই কাজ দিয়েছিলো। সব উকুন গায়েব। ভারি মিষ্টি লাগতো দুটোকে। গোলগোল মাথা নিয়ে স্কুলে যেতিস।” মাসিমনির গলায় আদর।
– “ও হ্যাঁ মনে পড়েছে। তারপর থেকে তো গ্রীষ্মকাল এলেই আমি বলতাম- মা এবার নেড়া হব না? আর মা কি রেগে যেত!” হাসতে হাসতে বললো আশাবরী।

এরপর কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো দুজনেই।

– “কেমোর সময়ও চুলগুলো পড়ে যাওয়ায় রঞ্জনীটা খুব দুঃখ পেয়েছিলো, আমায় ফোনে বলতো”! একটু উদাস হয়ে পড়লো মাসিমনি। আশাবরী মাসির একটা হাতের উপর নিজের গাল চেপে ধরলো।

পাশে রাখা ফোনটা বেজে উঠলো। মেশোর ফোন।

– ” আশি তুই রেডি আছিস!? আমি একবার ক্লাব থেকে আমার বন্ধু, এক্স চিফ এডিটর নরেশ কুমারের বাড়ি যাবো, ভাবছিলাম যাওয়ার পথে তোকে তুলে নেব। আই থিঙ্ক ইউ শুড মিট হিম। ওদের নতুন‌ ইনভেস্টার এসেছে। নেক্সট মান্থ থেকে ওরা একটা ট্রাভেল উইকলি আর ইউটিউব চ্যানেল শুরু করতে চাইছে। ইউ ক‍্যান ট্রাই ইওর লাক!” মেশোর কথাগুলি মন দিয়ে শুনলো আশাবরী। তারপর বললো
– “ওকে মেশো, জাস্ট গিভ মি টুয়েন্টি মিনিটস
এন্ড আই উইল বি রেডি।”
ফোন রেখে চোখ বুজলো আশাবরী। চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়লো। তারপর একটা লম্বা নিঃশ্বাস নিলো।যেন নতুন করে নিজেকে তৈরি করার আশ্বাস পেয়েছে। তারপর ঘুরে মাসির গালে একটা চকাম করে চুমু খেয়েই দৌড়ালো চান করতে।

নরেশ কুমার একটু তিরিক্ষি মেজাজের লোক। যদিও সাংবাদিকতায় অগাধ অভিজ্ঞতা, আশাবরী প্রথমে একটু ঘাবড়ে গেছিলো কিন্তু মেশো আশ্বাস দিলো যে লোকটা বাইরে ওরকম হলেও ভিতরে চূড়ান্ত রসিক। আশাবরীকে আগেই জানিয়ে রাখলেন যে বেশি মাইনে পত্তর এই মুহূর্তে যেন এক্সপেক্ট না করে। আশাবরী প্রথমে একটু হতাশ হলেও হাসিমুখে রাজি হয়। চেন্নাই আর ব‍্যাঙ্গালোর এই দুই জায়গাতেই আশাবরীকে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে কাজের সূত্রে, এদের ম‍্যাগাজিনের যারা ইনভেস্টার তাদের হোটেল ইন্ডাস্ট্রিতে বড় ব‍্যবসা। ভারত জুড়ে তাদের বিভিন্ন হলিডে রিসর্ট, হোটেল এসবের রিভিউ করতে হবে আশাবরীকে। তার সাথে মাঝে মাঝেই থাকবে ইউটিউব চ্যানেলের জন্য কন্টেন্ট শুট।
প্রচুর পরিশ্রমের কাজ হলেও আপাতত ওর জন্য এর থেকে ভালো সুযোগ যে আর হয়না সেটা ভালোই বুঝতে পারছিলো আশাবরী।

নতুন চাকরিতে ধাতস্থ হতে একটু সময় লাগলো।ওর সহকর্মীদের টিমটা বয়সে বেশীরভাগই ওর থেকে ছোট, মিলেনিয়ালস। এরা এক অদ্ভুত প্রজন্ম, ওদের চিন্তাধারা, সংস্কারমুক্ত বক্তব্য বা মতামত, বুদ্ধিদীপ্ত চিন্তা এসব আশাবরীকে বেশ আকর্ষণ করে আবার কোনো কিছু জানা বা শেখার জন্য নিষ্ঠা বা পরিশ্রমের অভাব দেখে বিরক্তও লাগে। বিলাস- ব‍্যাসন, টেকনোলজির সহজলভ্যতা আর ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব‍্যাপারটা এদের কাছে মুখ‍্য। মানুষের সাথে মানুষের আত্মিক বা সামাজিক যোগাযোগের ব‍্যাপারটা তাই এদের কাছে বোরিং।
অবশ্য এতো সামাজিক ব‍্যাপার নিয়ে মাথা ঘামিয়েই বা কি হবে? সমাজটাই তো আস্তে আস্তে ধ্বসে পড়ছে, মনে মনে ভাবে আশাবরী।

Bengaluru

ব‍্যাঙ্গালোরের বাইরে একটা হেরিটেজ প্রপার্টিকে লাক্সারি হোটেলে কনভার্ট করা হয়েছে, আশাবরী সেটা নিয়ে লিখতে এসেছিলো। কাজ শেষ করে ফেরার পথে ব‍্যাঙ্গালোরে একদিন থাকতে হবে। নিজের হোটেলে বসে কিছু দৈনিক খবরের পাতা ওল্টাচ্ছিলো। শহরের আনাচে কানাচে কি কার্যক্রম চলছে তার বিজ্ঞাপন চারিদিকে। একটা আর্ট গ‍্যালারির প্রদর্শনীর বিজ্ঞাপনে চোখ আটকে গেলো। যে সকল শিল্পীর ছবি প্রদর্শনী হচ্ছে তার মধ্যে ধ্রুপদের নাম দেখতে পাচ্ছে। একবার ঢুঁ মারবে নাকি? যদি ধ্রুপদ সেখানে থাকে তাহলে তো…
এতদিন পরেও হঠাৎ এটা ভেবে একটা লজ্জার রাঙা আবেশ ওর মুখের উপর খেলে গেলো।

কিন্তু আর্ট গ‍্যালারীতে ধ্রুপদের পাত্তা পাওয়া গেলোনা। লোকজনকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলো যে শেষ মুহূর্তেরসে নাকি আসতে পারেনি। কুঁড়ের বাদশা একটা! নিজের ভিটে ছেড়ে কোথাও নড়ে না ব‍্যাটা! আশাবরী মনে মনে গজগজ করলো একটু তারপর নিজেই হেসে ফেললো। ধ্রুপদের তিন চারখানা ছবি আছে প্রদর্শনীতে। তারমধ্যে একটা ছবির সামনে এসে হাঁ করে দাঁড়িয়ে পড়লো,আশাবরী। ঝোড়ো হাওয়ায় মেয়েটির আঁচল উড়ছে শূন্যে।খোলা চুলও হাওয়ার সঙ্গী, আশেপাশের ধানক্ষেতের মাথাও দুলছে। কোনো বড় ঝড়ের পূর্বাভাস হয়তো..

(ক্রমশঃ)

উদ্ধৃতি: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
চিত্র: শান্তনব রায়

5 thoughts on “পর্ব ২৩: নৈহর ছুটো হি যায়”

Comments are closed.